হ্যাশ-ট্যাগ

আমরা ‘ও কলকাতা’ বা তার আগে অন্যান্য সাইটগুলি নিয়ে যতটুকু ইন্টারনেটে বাংলা ভাষা চর্চা করতে চেষ্টা করেছি, সেখানে একটা বড় রকম বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার দুর্নিবার আকর্ষণ। আমি অনেক লেখক বন্ধুদের জানি যারা ফেসবুকে লিখতে খুব অভ্যস্ত – বেশ লেখেন – প্রায়ই লেখেন, কিন্তু পত্রিকার জন্য লেখা চাইলে কিন্তু কিন্তু করে কাটিয়ে দেন। কারণটা অনুমান করা মুশকিল নয় – ফেসবুকে লিখলে যে টাটকা লাইক পড়ে, গরমাগরম উত্তর-প্রত্যুত্তর ভিড় করে, তার হাতছানি এড়িয়ে চলা খুবই অসম্ভব – আর সেই ক্যারিশমার বাংলা সাইট আমি খুব বেশি দেখিনি – ভিড় যতটুকু, ততটুকু খুবই লোকালাইজড, কিছু পরিচিত গণ্ডীর মধ্যে। যাইহোক, সেই পুরনো কাসুন্দি ঘাঁটার জন্য এই পোস্ট নয়। আমার একটু অন্য উদ্দেশ্য আছে।

আমরা লেখা চেয়ে পাচ্ছি না – আর আপনি ফেসবুকে লিখে আনন্দ পাচ্ছেন, এর ফ্লিপসাইডটা দেখা যাক। সাইটে লেখা পাবলিশ হলে সেটাতে তাৎক্ষনিক মজা সেভাবে না পেলেও লেখাটি থাকবে ফেসবুকের বাইরে, পড়া, শেয়ার করা, খুঁজে পাওয়া খুব সহজ। এখন আমরা যদি এই দুটি ধারনাকে একে অপরের বিরুদ্ধে ব্যবহার না করে, এক সাথে ব্যবহার করি, তাহলে কেমন হয়? অর্থাৎ আপনি লিখলেন ফেসবুকে, আর আমরা সেই লেখাটি নিয়ে নিলাম ‘ও কলকাতা’য়। তাহলে একসাথে দুটো কাজই কিন্তু হল। তাই না? ফেসবুকে হ্যাশট্যাগিং এসে যাওয়ার পরে – কাজটা খুব সহজ হয়ে গেছে। আপনি যদি লেখাটি আমাদের সাথে শেয়ার করতে চান – তাহলে ফেসবুকে পোস্ট করার পর ‪#‎okolkata‬ এই ট্যাগটা দিয়ে দিন। আর আমরাও সেই দেখে আপনার লেখাটি চিনে নিতে পারব।

খুবই পরীক্ষামূলক-ভাবে এই চিন্তাভাবনা করেছি – এখন আপনারা যদি আপনাদের মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করেন আর এগিয়ে আসতে চান, তাহলে বাংলা ভাষার লাভ বই ক্ষতি হবে না।

অনেক শুভেচ্ছা সবাইকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *