ছিন্নবীণা ৩

ELEPHANTASYSING!

ছবি এঁকেছেনঃ পার্থ মুখার্জী
ছবি এঁকেছেনঃ পার্থ মুখার্জী

নাহ!

হাতিকে নিয়ে fantasy দেখছিলুম কিনা ভেবে নিলুম।

চোখ কচলে দেখলুম, না fantasy নয়, জলজ্যান্ত সত্য। এ গণেশ ঠাকুর পাতলুন শার্ট গলিয়ে motorbike-এই এসেছে। স্বপ্নে নয় হে! সত্যি।

তা জনগণের ঈশ্বর modern হয়ে উঠলে আমরাই বা কী এমন দোষ করলুম। Solar-cook.. sorry.. রবি ঠাকুর ছেড়ে নাহয় Honey সিংহ কেই ধরলুম। মুডটা বজায়ে থাকলেই হল, তাই না? রবির দোলে আমরা দোল খেতাম, এখন দুলুক বিশ্ব-কোমর !

সিদ্ধিদাতা বল, আর জগত-পিতা বল, তৈরি করছি, পালন করছি, নষ্ট করছি, আমরাই। কুমোরটুলি তে হচ্ছে manufacture, ক্লাবে ক্লাবে marketing (অগ্নিপথে Hrithik-ও করেছে, ওদিকের মেয়েটা হাসল ফিক্ করে), আর সব NGO-তে ‘save our planet’- যখন হচ্ছে বিসর্জন। এবং এই virtual জন্ম-মৃত্যুর cycle-এর চাপে পড়ছে পুরো শহর, পুরো দেশ, হয়তো পুরো বিশ্ব।

ঠাকুর তুমি কতো দিচ্ছ, তাও বেচারা আমি কেন দিয়েই চলেছি ? রক্ষক একটু ভক্ষক হয়েই ওঠে মাঝেমাঝে, কিন্তু এ তো এক একজন কুম্ভকর্ণ বানিয়েছ boss! Tax দিয়েই চলেছি, দাম বেড়েই চলেছে, তাও তোমার শাগরেদ বিষ্ণুকাকু তিরুপতিতে নিয়েই চলেছে। তুমি, আর আমাদের Tax-department টা প্রায় এক। তোমাদের কারুর মুখেই ‘না’ নেই।

তাও Tax-department টা ‘হ্যাঁ নেবো’ বলে, তুমি তো তাও বল না।

কী বানিয়েছ গুরু! এ বছর গণেশ পুজোয় জনগণ বিদ্ধস্ত রোজকার খবরে। রাজ্য জুড়ে মরণ-ফন্দা। মা তোমার নাম নিয়ে আমায় বলে ‘এস বাবা’, তারপরেই বলে, ‘অফিস ঢুকে একটা missed-call দিও’। কে নাচা কাকে? তুমি আমায়? না আমি তোমাকে? এ কাকে বানিয়েছি দেব, এ দেব তো সে দেব নয়।

তোমার সৌম্য, তোমার চার হস্ত, তোমার লেখা মহাভারতে আর সেই sparkটা দেখছি না তো! চোখে কি চালসে পড়লো নাকি গো? নাহলে, এত ডাকছি তোমায়, আমার salary বাড়ছে না কেন? Honey সিংহ তো কোমর নাচিয়ে প্রচুর তুলছে!

তাহলে কি তুমি silent হয়ে গেলে প্রভু?

উত্তর দিও, অপেক্ষায় রইলুম।

P.S. – Main লেখায় বললে ঠাকুর কী বলে বসে, তাই চুপি-চুপি বলছি, গণেশ স্বপ্নে এসেছিল, বলল, দুর্গা নাকি Honey কে পুত্র হিসাবে adopt করেছে, তাই নাকি তার পদবি সিংহ। বোঝো!

আগের পর্ব

2 Replies to “ছিন্নবীণা ৩”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *