যাদবপুরের সাথে ২

শিউরে উঠে টিভিটা বন্ধ করে দিলাম। রোগা পাতলা চেহারার একটা ছেলেকে মাটিতে ফেলে মারা হচ্ছে, আহত একটি মেয়ের নাক ফেটে দরদর করে রক্ত ঝরছে – দৃশ্যটা সহ্য করতে পারলাম না।

বুধবার সকাল থেকে বঙ্গবাসী বিভিন্ন নিউজ চ্যানেলে হাজারবার এই দৃশ্য দেখে ফেলেছেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মত নামকরা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে ঢুকে পুলিশ এবং অ-পুলিশ(নাম গোত্র পরিচয়হীন) কিছু ব্যাক্তি, ছাত্র ছাত্রী নির্বিশেষে অবাধে মারধোর করছে। একটি শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভের যে এই পরিনতি হতে পারে, সেটা কল্পনারও অতীত। read more

যাদবপুরের সাথে

পুলিশী বর্বরতা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে নিরস্ত্র ছাত্রছাত্রীদের ওপর অকথ্য অত্যাচার – এ সবেরই সাক্ষী হয়ে রইল রাজ্য তথা দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। read more

বইমেলা উৎসবে কূপমন্ডুক

বছরের শুরুতে পড়ে পাওয়া চোদ্দআনার মত এক্সটেন্ডেড শীতে মজে থাকা বাঙালি তখনও শীতের পোশাক তোরঙ্গে তুলে রাখেনি। বড়দিন, নববর্ষের রেশ ততদিনে মিলিয়ে এসেছে। তবে প্রেমিক বসন্তের আগমনবার্তা তখনও এসে পৌছায়নি। এমন সময় শহর মাতাতে হাজির হল কলকাতা বইমেলা। অতঃপর, অন্নপায়ী বঙ্গবাসী চল বইমেলা। চারিদিকে হুজুগের অন্ত নেই। শোনা যাচ্ছিল বইমেলার সময়সীমা নাকি বাড়ছে। বই নিয়ে অনেক রোম্যান্টিকতা থাকলেও বইমেলা নিয়ে আমি খুব একটা আবেগতাড়িত নই। কাজেই ছুটির দিনগুলো হালকা শীতের ওমটুকু মেখেই কাটিয়ে দিচ্ছিলাম। তাই দেখে নিন্দুকে বললো – আমি নাকি কূপমন্ডুক। হবেও বা। নিজেকে তো আর দাঁড়িপাল্লা কষে মেপে দেখিনি। কিন্তু শেষ বেলার শীতে মজে আর বাকি দিনগুলো কাটান গেল না। বইমেলার হুজুগে গা না ভাসালেও, ভেতরে ভেতরে শহরের পথে মানুষ চেখে বেড়ানোর নেশাটুকু আবার চনমনিয়ে উঠল।  আমার শহর এক নতুন অভিসারে মাতছে, আমি কি আর নিজেকে ঘরের কোনে আটকে রাখতে পারি? বেরিয়েই পড়লাম ঝোলাটা কাঁধে নিয়ে, শহরের নবতম মাদকতার রস চাখতে। ঝোলাটা আঁতেলসুলভ নয়, নেহাতই অভ্যেস। read more