পয়লা আষাঢ়

বৃষ্টি আমার কৈশোর, কিন্তু বর্ষা আমার প্রেম। তাই বলে কৈশোরসুলভ অপাপবিদ্ধ প্রেম নয়; রীতিমত নিষিদ্ধ এবং দু:সাহসী। প্রথম যৌবনে কারও কোমরে হাত দেওয়ার মত, তাও আবার দক্ষিণ ভারতে, শিরুভানি জলপ্রপাতের সামনে।

বদলা নয়, বদল চাই

poribesh diboshসারাদিন অফিস ঠেলে বাড়ি ফিরছি। সায়েন্স সিটির সামনে বিস্তর জ্যাম। বাতাসে একরাশ ধুলো, মাথার ওপর ফ্লাইওভার – বিরক্তি এড়াতে এফ এম। অবশ্য আজকাল রেডিও বিরক্তি কমায় না বাড়ায় সেটা ঠিক বোঝা যায় না – তাও জ্যাম, ঘাম আর সারাদিনের ক্লেদ ভুলতে চারানার গান আর বারো-আনার এডভার্টাইজমেন্ট নিয়ে ঐ এক এফএমই সম্বল। এমন সময় এই রেডিওই মিনে করাল জুন পাঁচ তারিখ বিশ্ব পরিবেশ দিবস। read more

ঋতুদা, ঋতুদি এবং আমরা

গতকাল ৩০শে মে ছিল ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যুবার্ষিকী তিন বছর হল তবু ভেতর ভেতর ভীষণ লজ্জা পাই এই ভেবে যে শ্রদ্ধা নিবেদন করার আগে, আমরা আদৌ তার যোগ্য কিনা এই প্রশ্নটা বোধহয় আমাদের নিজেদেরকেই আগে করা উচিত read more

কিভাবে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট করবেন না – ৬

আগের পর্ব

সাত দুকুনে চোদ্দর চার – হাতে রইল পেনসিল

প্রজেক্ট ম্যানেজ সিরিজ অনেকদিন বন্ধ ছিল। কেন বন্ধ ছিল জিজ্ঞেস করায় এক এক জনকে এক এক রকম উত্তর দিয়েছি। যেমন – “তর্ক নেই বলে লেখা হচ্ছে না!” read more

কিভাবে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট করবেন না – ৫

ওফ এরকম করেছিল বটে কৃষাণু। সেই ২০০৬ সালে। দিব্যি বন্ধুদের কথা শুনে বার খেয়ে, ডিকশনারি দেখে এক-পিস প্রেম পত্র সাজিয়েছিল কিন্তু সেই সঙ্গে নিজেকে সেফ-সাইডে রাখার জন্য দুই ম্যানেজারকে কপিতে রেখে মেলটা করেছিল। ফলটা হল উলটো। লেঙ্গি তো খেলোই, তার ওপর জাঁদরেল প্রজেক্ট ম্যানেজারের দাবড়ানিতে টানা দু বছর ধরে সব প্রজেক্ট / নন-প্রজেক্ট পার্টিতে নীলাঞ্জনা গাওয়া করিয়েছিল। একটা সময় কৃষাণুর মনে হত ডেকে সবার সামনে বলদ বলে কান ধরে উঠবস করালেও বোধহয় এতটা দুঃখ হত না। প্লাস ঐ চিঠিটা পড়েনি এমন কেউ পাবলিক শুধু ঐ প্রজেক্ট কেন, গোটা অপিসেও ছিল না।

ইয়া দেভি

এবারে সে হোটেল বা গেস্ট হাউসে থাকবে না। অনেকেই এখন পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে হোম স্টে করছে। তাই যাওয়ার সময়টা ঠিক হতেই শ্রী সেদিন কাউচ সার্ফিং করা শুরু করেছে। তখন নতুন একটা ছেলে এসে মিষ্টি করে বলল – ‘একা যাচ্ছেন নাকি?’ শ্রী এক ঝলক তাকিয়ে দেখল ছেলেটা বেশ হ্যান্ড-সাম। চেহারায় একটা ঝকঝকে ভাব আছে।

‘একা কোথায়?’, শ্রীও হেসে শেরিল স্ট্যায়েডের ‘ওয়াইল্ড’ বইটা এগিয়ে দিয়েছিল।

কিভাবে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট করবেন না – ৪

জলহস্তীর মত সুরেলা কণ্ঠে প্রথম প্রশ্ন করলেন, ‘বাড়ি কোথায়?’ বললুম। তাতে চোখটা ওপরে তুলে বললেন, ‘স্টেশন থেকে কতদূর বাড়ি?’ ‘বেশিক্ষণ না – মিনিট পাঁচেক। গার্লস ইশকুলের কাছে।’ ‘গার্লস ইশকুলে কাছে বাড়ি হয়ে কোন সুবিধে হয়েছে?’ ঘাড় নাড়লাম, ‘না, হয়নি।’ সেদিন তো সবে শুরু। পরে কথাবার্তা শুনে ভালো করে চেনার পর বুঝেছি, ওনার মুখ মানেই জাঙ্গিয়া। খুললেই – যাক সে কথা।

কিভাবে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট করবেন না – ৩

ভদ্রমহিলা ডাকসাইটে সুন্দরীও ছিলেন। তখন ভয় পাব কি পাব না এই নিয়ে থতমত খাচ্ছি, এর মধ্যে টেস্ট স্ট্র্যাটেজি পুরো মাখনের মত নেমে গেল। সেদিন বুঝলাম, মোলায়েম ক্যাম্বেলও একটা নতুন প্রজাতি। দাবাং তো হল এই সেদিন, কিন্তু ‘থাপ্পড় সে ডর নেহি লাগতা, প্যার সে লাগতা হ্যায়’ – এই নিদেন উনি আমাকে দিয়ে গেছেন প্রায় এক দশক আগে।

কিভাবে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট করবেন না – ২

আগের পর্ব

দ্বিতীয় পর্ব  – বোঝেনা,  সে বোঝে না

সত্যি বলতে কি প্রথম লেখাটার পরে যে বাড়িতে ঢিল পড়েনি বা অফিসে দু একটা চড় থাপ্পড় পড়েনি – এতে আমি একটু অবাকই হয়েছিলাম। শীল যে কিনা নিত্য মুগুর ভাঁজে – অটো-ওয়ালাকে প্যাঁদায়, সে কি আর এত বড় মস্করা সহ্য করতে পারে? আশ্চর্যের বিষয় এসবের কোনটাই হয়নি – উলটে এই লেখা বেরনোর পরের দিন যখন অফিসে পৌঁছেছি, ততক্ষণে দেখি রীতিমত হইচই পড়ে গেছে আর সেই ঠেলায় শীলও বন্ড নামে প্রায় বিখ্যাত হয়ে গেছে। যারা লুকিয়ে চুরিয়ে রিসেপশনিস্টকে দেখত, তারাও বিড়ম্বনায় পড়ে গেছে – পাছে আমি কখনও তাদের নিয়ে গল্প লিখে ফেলি। শীলের নানা রকম কীর্তিকলাপ আমার কানে আস্তে শুরু করেছে – যাতে অন্য কোনোদিকে না তাকিয়ে আমি দ্বিতীয় পর্বটাও ওকে নিয়েই লিখি। যেমন বন্ড নাকি জানে প্রজেক্টে কোন মেয়ের কোথায় ট্যাটু আছে, যার গার্ল-ফ্রেন্ড নেই, তার বন্ড আছে এইসব। তা বন্ড যতই কালটিভেট করার মত চরিত্র হোক না কেন, আমাদের তো লক্ষ্য হারালে চলবে না। আমরা কথা শুরু করেছি প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে। সেই নিয়ে আজকে আমাদের দ্বিতীয় পর্ব। গোড়া থেকে আরম্ভ করা যাক। read more