মেলার দিনগুলো

বাবা মার হাত ধরে যেমন প্রথম আমার মেলায় যাওয়া,তেমনি আমার ঠাকুরদার কাঁধে চেপে । ভীষণ রকম মনে পড়ে এখন – সে সব কথা । এখন আমার হাত,আমার কাঁধ ওনাদের খোঁজে। তখন একটা টমটম গাড়ি না কিনতে পারলে মেলায় যাওয়া বৃথা ছিল। বাবার থেকে দাদুর কাছে বায়না করতাম বেশি। বাবা চোখ রাঙালেও দাদু কিন্তু সেটা করতেন না। পয়সা সেই বাবারই যেতো কিন্তু বাহবা পেতেন দাদু। এখন বুঝি পয়সা আনা কতটা শক্ত কাজ। read more

পাহাড়ের কোলে – (১)

‘ও কলকাতা’র বন্ধু উদয় আমাদের কিছু ছবি পাঠিয়েছেন জলপাইগুড়ি থেকে। যারা পাহাড়ে বেড়াতে যান তারা হয়তো কখনোই পাহাড়ের কোলে অবস্থিত এই সুন্দর জায়গাটিকে এত কাছ থেকে সেভাবে দেখে উঠতে পারেন না। সৌন্দর্যবোধ আটকা পড়ে যায় টুরিস্ট গাইডের পাতায় – কারণ আমরা বোধহয় নিয়ম ভাঙতে ভালোবাসি না। read more

ঝান্ডির পথে আমরা

কথা ছিলো বাইকে করে যাবার। খুব সকালে বের হবো। কিন্তু নবমীর সকালটা যে বৃষ্টি মাখা!ধুর ছাই, বৃষ্টিটা মাটি করে দিলো সব। অন্য দিন আমি এতো সকালে ঘুম থেকে উঠিই না। মনটা খুব খারাপ হয়ে গেলো । এমন সময় সবুজের ফোন। কি করে যাই বলো তো? কি আর করা যাবে আজ তা হলে বাদ দাও। না না দাঁড়াও। আমি একটা ব্যাবস্থা করছি।সকাল এগারোটার দিকে আবার সবুজের ফোন। উদয় দা চলো, আমরা একটা মারুতি ভেন ভারা করে ফেলেছি। সেকি, এখন এতবেলায়!আমি তো প্রায় নাই করে দিচ্ছিলাম, আবার ওদের কথা ভেবে.. যাক বেড়িয়েই পরলাম। জলপাইগুড়ি থেকে লাটাগুড়ি হয়ে চালসা দিয়ে মালবাজার থেকে গড়ুবাথান। তারপর পনেরো কিমি দুরে ঝান্ডি। read more