জামাইষষ্ঠীর রেসিপি

মাটন কষানো হয়ে গেলে ভাজা আলুগুলো ওর মধ্যে তুলে দিয়ে বাকি জলটা দিয়ে দিন এবং ঢাকনা চাপা দিয়ে আঁচ কমিয়ে রাঁধুন। মাটন আর আলু সেদ্ধ হয়ে গেলে আঁচ থেকে নামিয়ে ডিম চিরে সেইগুলো দিয়ে সাজিয়ে গরম ঘি-ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

দাদা বৌদি সংবাদ

বিয়ের পর বিদেশে প্রথম লাঞ্চ।

দাদা – “কোন কুইজিন পছন্দ তোমার – ইটালিয়ান, মেক্সিকান, থাই?”

বৌদি – “ইয়ে মানে, এখানে একটু গরম ভাত, ঘি আর মুসুর ডাল পাওয়া যায় না?”

দাদা – “এটা কিংস ক্রস স্টেশন – শিয়াল’দা নয়।” read more

গল্পে পড়া বেগুণপোড়া

সারা ইন্টারনেট খুঁজলে কয়েক হাজার রান্না-বান্না সংক্রান্ত ব্লগ বা ওয়েবসাইট দেখতে পাওয়া যাবে। তার মধ্যে বাংলাতে লেখা ব্লগের সংখ্যাও কম নয়। আর রান্না? একবার যেকোন একটা রান্নার রেসিপির খোঁজ করে দেখুন না!  দিশি-বিলিতি-উচ্চবিত্ত-মধ্যবিত্ত-ট্র্যাডিশন-ফিউশন- যে কোন রান্নার অন্তত সাড়ে সাতাত্তরখানা রেসিপি পেয়ে যাবেন ! যদি জিজ্ঞেস করেন -“সাড়ে”টা কেন? ওটা হল, সেইসব ব্লগকে বোঝাতে, যাদের মালিকেরা নিজেরা কিছু লেখেন না, কেবলমাত্র এইব্লগ-সেইব্লগ থেকে রেসিপি এর লিঙ্ক এনে নিজের ব্লগে রাখেন (অনেক সময়ে অবশ্য অন্যের ব্লগ থেকে বেমালুম পুরো রেসিপিটা ঝেড়েও দেন !) আর ওই বাকি সাতাত্তরখানার মধ্যে যেটুকু তফাত, তা হল- কেউ বলেছেন তিনচামচ লঙ্কাবাটা, তো কেউ বলেছেন তিনখানা লঙ্কাকুচি, কেউ বলেছেন বোনলেস, কেউ বলেছেন বোন-ইয়েস!! সে যাকগে, মোদ্দা কথা হল, আর রেসিপি লিখে লাভ নেই। ব্যাপারটা ওই কোন যেন এক তাত্বিক বলেছিলেন- “আর গল্প লিখে কি হবে, সব গল্পই তো লেখা হয়ে গেছে…”- ওই গোছের। যাই লিখতে যান, কেউ না কেউ, কোথাও না কোথাও লিখে রেখে গেছে। তাই ঠিক করলাম, খাবারের রেসিপি নয়, খাওয়াদাওয়ার গল্পই করি বরং। read more

রসুন-শুকনোলঙ্কা দিয়ে মুরগি

রসুন-শুকনোলঙ্কা দিয়ে মুরগি
রসুন-শুকনোলঙ্কা দিয়ে মুরগি

(আমার কাছে রান্নার প্রণালী আছে, কিন্তু সঠিক পরিমাপ সবসময়ে নেই। আদ্যিকালের রাঁধুনিদের মত নুন-মিষ্টি-মশলার পরিমাপ আন্দাজেই করে থাকি। ব্যাপারটার মধ্যে একটা উত্তেজনা আছে। মাঝে মাঝে খুব ভাল রান্না হয়ে যায়, মাঝে মাঝে আলুনি অথবা নুনে কাটা। তাই আমি রান্নার রেসিপি দেব, কিন্তু পরিমাণের আন্দাজ যে রান্না করবে তার ওপরেই রইল।) read more