জামাইষষ্ঠীর রেসিপি

মাটন কষানো হয়ে গেলে ভাজা আলুগুলো ওর মধ্যে তুলে দিয়ে বাকি জলটা দিয়ে দিন এবং ঢাকনা চাপা দিয়ে আঁচ কমিয়ে রাঁধুন। মাটন আর আলু সেদ্ধ হয়ে গেলে আঁচ থেকে নামিয়ে ডিম চিরে সেইগুলো দিয়ে সাজিয়ে গরম ঘি-ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

প্লুটোর ইন্টারভিউ

প্লুটো: দেখছি তো বহুদিন ধরেই বাবা। ছোট তকমা সেঁটে দিতে পারলে তোমরা আর কিচ্ছু চাওনা। পাঁঠা বলি দেখলে নার্ভ ফেল হয়ে যায় ইদিকে অকারণে পিঁপড়ে মারো। কেন? কারন সে ছোট। পাঁঠা ডাকে, সে ডাকেনা।

বদলা নয়, বদল চাই

poribesh diboshসারাদিন অফিস ঠেলে বাড়ি ফিরছি। সায়েন্স সিটির সামনে বিস্তর জ্যাম। বাতাসে একরাশ ধুলো, মাথার ওপর ফ্লাইওভার – বিরক্তি এড়াতে এফ এম। অবশ্য আজকাল রেডিও বিরক্তি কমায় না বাড়ায় সেটা ঠিক বোঝা যায় না – তাও জ্যাম, ঘাম আর সারাদিনের ক্লেদ ভুলতে চারানার গান আর বারো-আনার এডভার্টাইজমেন্ট নিয়ে ঐ এক এফএমই সম্বল। এমন সময় এই রেডিওই মিনে করাল জুন পাঁচ তারিখ বিশ্ব পরিবেশ দিবস। read more

পরিবর্তিত প্রাকৃতিক পরিবেশ – একটি বিপদ সংকেত

টিয়ার নগর জীবনআজ ৫ই জুন – বিশ্ব পরিবেশ দিবস। সারা বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে মহা সমারোহে। প্রথম যখন এই তারিখটার সাথে পরিচয় ঘটে তখন জোর কদমে পরীক্ষা প্রস্তুতি।তাই দিনটির গভিরতা না মেপেই মুখস্ত করেছি। পরে যত দিন পার হয়েছে বুঝেছি ৫ই জুন শুধু মাত্র একটি দিন নয় এটি একটি ভাবনা, প্রয়াস আগামী প্রজন্মকে এক বাসযোগ্য ভূমি দিয়ে যাবার। লড়াই নিজেকে বাঁচানোর। লড়াই প্রকৃতিকে প্রাত্যহিক ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা করার। আসলে লড়াইটা আমাদের নিজের সাথে নিজেদেরই। বিলাস বহুল জীবন আর স্বচ্ছন্দের বস্তুটি কাছে পেতে মরিয়া আমরা। সেই লোভী মনটাকে সংযত করতে ঠিক যেমন স্বাধীনতার চেতনাকে জাগাতে হয়েছিল বিভিন্ন অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা। ঠিক তেমনি আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে পরিবেশ দূষণের প্রভাবে কলুষিত পৃথিবীকে বাঁচাতে এই বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের প্রয়োজনীয়তা। রাষ্ট্রপুঞ্জ, ১৯৭২ সাল থেকে মানব পরিবেশ সম্পর্কিত সন্মেলনের মাধ্যমে শুরু করে এই লড়াই। যাতে বর্ণ, ধর্ম, জাত পাত ভুলে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে আসে বিশ্বের মানুষ। ১৯৭৪ সালের ৫ই জুন থেকে প্রতিটি দেশের একটি শহর আয়োজকের ভূমিকায় একটি নির্দিষ্ট থিমের উপর ভিত্তি করে পালন করে আসছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস। উদ্দেশ্য মানুষকে একত্রিত করে পরিবেশ ভাবনা ও সচেতনতাকে জাগিয়ে তোলা। পরিবেশ পরিবর্তনের প্রভাবে বদলে যাওয়া পরিবেশের সমস্যাগুলির সমাধান বের করা। ১৯৭৪ সালে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের স্পোকেনে ‘একই পৃথিবী’ থিমের ওপর প্রথম এই দিনটি পালিত হওয়া শুরু হয়। ২০১১ সালে ভারতের রাজধানী শহর নয়াদিল্লীতে আয়োজিত হয় বিশ্ব পরিবেশ দিবস, থিম – ‘বন ও বন সম্পদের সংরক্ষণ’। এ বছর (২০১৬) দক্ষিন আফ্রিকার অ্যাঙ্গোলা শহরে ‘বন্যপ্রাণী নিয়ে চলা বিশ্বব্যাপী অবৈধ ব্যাবসা অবিলম্বে বন্ধ করা’ থিমের ওপর এই দিনটির পালন হচ্ছে। পাশাপাশি সারা বিশ্বের মানুষ এই আন্তর্জাতিক দিবসটি পালন করতে এগিয়ে এসেছে। কিন্তু শুধু একদিন এই দিন পালন করলে হবেনা সারা বছর ধরে চালিয়ে যেতে হবে এই প্রচার, স্কুল কলেজ থেকে অফিস বা পাড়ার ঠেক সর্বত্র। পরিবেশ দূষণের প্রভাবে বদলে যাওয়া পরিবেশ ও সেই পরিবেশে নিজেদের স্বভাবের পরিবর্তনে বাধ্য হওয়া জীবগুলি সম্পর্কে প্রয়োজন গভীর গবেষণার। ব্যাক্তিগত ভাবে পরিবেশ পরিবর্তনের কিছু টুকরো তথ্য পরিবেষণের চেষ্টা করলাম। আসুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসকে সার্থক করে তুলি এই সব জীবদের রক্ষার মধ্যে দিয়ে। read more

সমুদ্র গুপ্তের অটো-যাত্রা

সমুদ্র গুপ্ত অটোতে উঠলেন। জায়গাটা খানিক অন্ধকার বলেই আগে বোঝেননি অটোটার পেছনে দুদিক খোলা। অর্থাৎ ওদিকদিয়ে উঠতেই পারতেন। কিন্তু খামোকা বাঁইই করে অর্ধবৃত্তের মত পাক খেয়ে অটোর বাঁ দরজা দিয়ে পেছনের সিটে উঠেই দেখলেন হুড়মুড় করে কি একটা ডান দরজা দিয়ে ঊঠে পড়ল। ভালো করে বুঝে ওঠার আগেই নাকে এল পারফিউম আর ঘামে মাখামাখি এক বিতকুটে গন্ধ। স্পর্শে এল বড় সড় মেদবহুল এক মেয়েলী উপস্থিতি। আর ঘাড়ে সুড়সুড়ি দেওয়া একগাছি লম্বা চুল।
‘হ্যাঁ, কোথায় তুই?’ দেখা গেল মহিলা ফোন বের করে গলা পাকিয়েছেন। চওড়া স্মার্টফোনের পর্দাটা অটোর অন্ধকারে একবাক্স হীরক-খন্ডের মত জ্বলে উঠল। ততক্ষনে সমুদ্র গুপ্তকে স্যান্ডুইচ বানিয়ে পেছনের বাম দরজাও রাজারহাটের এক তথ্যপ্রযুক্তি সুলভ ছুঁচলো দাড়ি আর বিদগ্ধ চশমা ফ্রেম দখলে নিয়েছে। আর ছেলেটির হাতের বস্তাসদৃশ দুটো ল্যাপটপ ব্যাগে সে দরজা দিয়ে বাইরের আলো ঢোকার ফুটীফাটাও বন্ধ! এদিকে, ড্রাইভার ধর্মতলার ফুটপাথিয়া হকারের মত , ‘দুটো খালি… তাড়াতাড়ি… দুটো খালি’ বলে খদ্দের ডাকছে।
‘ও তুই বেরিয়ে গেছিস? এত তাড়াতাড়ি?’ মহিলা কথা বলে চলেছেন। সমুদ্র দেখছিল, ডানপাশের ওই বাহুবলী মহিলার স্মার্ট-ফোন কানে ধরা থলথলে হাত, ওনার মেদবহুল বুক-পেট ধরে টানা দেহরেখার সাথে পঁয়তাল্লিশডিগ্রীতে কাৎ করে বগল এলাকায় এক প্রশস্ত ফাঁকের জন্ম দিয়েছে। সে ফাঁক শুধু পারফিউম আর ঘেমো গন্ধের জন্ম দিয়েই ক্ষান্ত নয়, বরং দেখে মনে হচ্ছে এক বিশাল পাইথনের হাঁ-মুখ। কিংবা সারসের ফাঁক করা লম্বা ঠোঁট। সেই পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রী ফাঁক দিয়ে আবছায়া আলো এসে সমুদ্রকে বলে দিচ্ছিল এই মহিলা মোটেই তেমন বয়স্কা কেউ নয়। কানে বড় বড় দুল। ঠোঁট বেশ গাঢ় রঙে ছোপানো। গায়ের রঙ কালোই বলা যায়। চুলগুলো খানিক কোঁকড়ানো। আর বগলের ওই পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রী ফাঁকা কৌনিক-জাঙ্গাটাই সমুদ্রের চোখজোড়াকে নিয়ে গিয়ে ফেলছিল ঠিক সামনেই একটি টেলরের দোকানে, যেখানে এক মহিলা বসেছিল আটপৌরে শাড়িতে। মাথার খানিক ওপরে দড়িতে টাঙানো জামাপ্যান্টগুলো নড়ছিল। আর সামনে দোকানের কাউন্টারে শুয়ে থাকা একটা শিশু হাতপা ছুঁড়ছিল আনন্দে। ওপরে কালো একটা ফ্যান ঘুরছিল বন বন করে। এভাবেই, ফ্যানের হাওয়ায় এই গরমে তুমুল ফুর্তির একটুকরো ছবি দেখছিল সমুদ্র গুপ্ত । আর আবছায়া এই ভ্যাপসানো ঘুপচিতে বসে ভাবছিল, অটো চললে কি খানিক মুক্তি পাবে ?
‘আমি তো প্রেসিতে আছি। প্রেসিডেন্সীর গেটে দাঁড়িয়ে আছি। ওকে বলেছি গাড়িটা আনতে। ফোন করেছিল। কাছাকাছি আছে। এই গরমে আর পারছিনা। ও এলে গাড়িতে অনুপম চালিয়ে এসির হাওয়া খেতে খেতে উত্তরপাড়া যাব। না দমদম পার্কে কাল যাব। তুই কাল কি করছিস?’ মহিলার ঠোঁটদুটো বিরাম নিচ্ছিল না যদিও এই গরমে।
সমুদ্র গুপ্ত কল্পনায় একটা এসি গাড়ি অনুভব করতে গিয়ে দেখল অনুপম রায় মাথায় সাদা টুপি পরে ড্রাইভারের আসনে বসে। বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে ভেবে আবার মেয়েটির বাহু ঘেঁষা ওই পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রীর খোপ দিয়ে তাকিয়ে দেখল একটা কুকুর এসে দাঁড়িয়েছে রাস্তায়। নিরীহ নেড়ি কুকুর।
‘ও তুই কাল চলে যাবি? এ বাবা। দেখা হল না। কাল থাকলে তুই আমাদের বাড়িতে থেকে খেয়ে যেতে পারতিস’ গলায় শান্তিপুরী ভদ্রতা এ মেয়ের এখন। সমুদ্রের রাগ হচ্ছিল। দমদম পার্কের অটোতে চড়ে প্রেসীডেন্সীর এসি ট্যাক্সি! পাঁয়তারা হচ্ছে!
চাকরি পাওয়ার আগে কোলকাতায় যখন ইন্টারভিউ-এর গোঁত্তা খেতে আসত জলপাইগুড়ি থেকে, এমন উত্তর হামেশাই পেত এখানকার আত্মীয় বন্ধুদের কাছে। ইন্টারভিউ দিয়ে অনেক সময়েই শিয়ালদার সস্তা হোটেলে থাকতে হত। অথচ সেই সব আত্মীয় বন্ধুরাই দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সে এলে হেঁ হেঁ করে ফোন করত সমুদ্রকে। বিনি পয়সার হোটেল থেকে ফ্রি সার্ভিস গাইড। বেকার ছেলের এর চেয়ে বেশি কি আর যোগ্যতা হতে পারে?
খুব রাগ হচ্ছিল সমুদ্রের। বাঁ পাশের আইটির ছেলেটা চিৎকার করে উঠে বলল, ‘এই যে দাদা, এবারে অটোটা ছাড়ুন তো। যদি সারারাত কেউ না আসে আপনি এরকম চিল্লিয়ে যাবেন? আমাদের দেরি হয়ে যাচ্ছে তো! এই গরমে এরকম করে পারা যায়?’
ওই মহিলা নাটুকে সংলাপে খানিক গলার জোর বাড়িয়ে বলল, ‘এই শোন, সাবধানে যাস। আর কাকু কাকিমাকে আমার প্রনাম জানাস। ও হ্যাঁ আমি না আগামী মাসে বোলপুর যাব। আমার জন্য একটা ব্যবস্থা করে রাখিস ভাইটি। জানিসই তো, ওখানে খুব কড়াকড়ি হচ্ছে আজকাল। তোর তো চেনাশোনা হোটেল আছে। ওর খুব ভরসা তোর ওপরে… ঠিক আছে?’ ।
সমুদ্র চিড়বিড়িয়ে উঠল। মনে হল ধাক্কেই ফেলে দেয় ওই ব্যাপারটিকে। কিন্তু সেসব হওয়ার আগেই দেখল কুকুরটি চিৎকার শুরু করেছে। ঘেউ ঘেউ ঘেউ ঘেউ। কি কর্কশ তিতকুটে আওয়াজ। যেন কারো ওপরে তীব্র আক্রোশ। নিজের অজান্তেই একটি শব্দযুগল বেরিয়ে এল সমুদ্রের মুখ দিয়ে,
‘শালা কুত্তা’!
ফোন থামিয়ে ঝড়ের বেগে মেয়েটি বাঁদিকে ঘুরে বলল, ‘কিছু বললেন?’ read more

আমরা যারা বাইশের/তেইশের ওপারে আর উনত্রিশ/ত্রিশের এপারে

আমদের প্রজন্মটাকে সময় বস্তুটা চিরকালই হাঃ মুগ্ধ করে রেখেছে। একমাত্র ফুচকাওয়ালার হাত ধোওয়ার সাবান বাদ দিয়ে এমন কোনো জিনিস নেই যা আমরা দেখিনি (সোলজার কিন্তু হিট করেছিলো ফলে ওই প্রসঙ্গ আনা গেলোনা)। সেই জন্ম থেকে শুরু করে বর্তমানে পাড়ায় নির্ভয়ে সিগারেট খাওয়া/ মায়েরটা ছেড়ে নিজের জন্য শাড়ি কেনা অথবা দুটোই একসাথে অবধি। সারাটাক্ষন যেন এক অদৃশ্য হাত রোজনামচার চলতিতে ধরিয়ে দিচ্ছে অবাক হওয়ার ইস্তেহার। আর সে এমনই আদেখলা হওয়ার নিমন্ত্রন যাকে মুঁড়িয়ে ফেলে দেওয়ার যান্ত্রিকতা আমাদের ছিলনা, নেই, হবেও না। read more

ফ্যাশন টিভি

সে এক উত্তাল সময়। আবিষ্কারের সময়। কৈশর পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের ওপর দাঁড়িয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে যৌবনকে ধরবার, কিন্তু সে তখনও বিভিন্ন যোজনার মত যোজন বছর দূরে। সবাই নাকি দেখেছে, সবাই নাকি জানে “কি করে হয়”। আতিপাতি খোঁজ চলছে। ইলেভেনের দিদিদের কিছুতেই দিদি বলতে মন চাইছে না। নতুন ম্যাডাম ক্লাসে এলে বসন্ত বিলাপ। এরকম এক টালমাটাল মুহুর্তে দেবদূতের মত হাজির সে। বোতাম টিপলেই সমস্ত গোপন স্বপ্ন বিড়াল হাঁটছে তো হাঁটছেই। বাবা মায়েরা চাইল্ড লক করেও আটকাতে পারছেননা অজানা কে আবিষ্কার করবার অদম্য ইচ্ছে। হাতে রিমোট নিয়ে বাড়ির সব চাইতে রিমোট এরিয়াতে চলছে না দেখা পৃথিবী যাপন। read more

ঋতুদা, ঋতুদি এবং আমরা

গতকাল ৩০শে মে ছিল ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যুবার্ষিকী তিন বছর হল তবু ভেতর ভেতর ভীষণ লজ্জা পাই এই ভেবে যে শ্রদ্ধা নিবেদন করার আগে, আমরা আদৌ তার যোগ্য কিনা এই প্রশ্নটা বোধহয় আমাদের নিজেদেরকেই আগে করা উচিত read more

গল্প প্রতিযোগিতা ২

সুযোগ বাড়ছে…সুযোগ বেড়ে যাচ্ছে আপনার অসমাপ্ত লেখাটি শেষ করার…সুযোগ বেড়ে যাচ্ছে আপনার মনের কোঁণে উঁকি মারা হাসির ঘটনায় সবাই কে হাসানোর ।
কারণ ??
কারণ হাসির গল্প প্রতিযোগিতার গল্প জমা দেবার অন্তিম তারিখ বেড়ে হয়েছে ১৫ই জুন !!
তাহলে এইবার আর একদম দেরী নয়… খুঁচিয়ে বের করুন আপনার জীবনে ঘটে যাওয়া সেই পুরনো বা নতুন ঘটনাটি, আর লেগে পড়ুন পাশবালিস পাকড়ে, কাগজ কলম নিয়ে। লিখে পাঠান আমাদের, অনধিক ৫০০ শব্দের মধ্যে। শর্ত একটাই, লেখা হতে হবে কৌতুকী। দম ফাটা হাসি, বা মুখ টিপে হাসি – আমরা দুটোতেই রাজি। read more