রাজযোটক

“সেই দশটা বেজে গেলো, যতই তাড়াতাড়ি করি কিছু না কিছু করে দেরি হয়েই যাবে” – গজগজ করতে করতে শোভনা এপার্টমেন্টের তিনতলার ফ্ল্যাটে ঢুকল সরিৎ| রবিবার একলা মানুষের বাজার করতে বেশী সময় লাগে না -তবে পাঁচটা লোকের সাথে দু-পাঁচ মিনিটের কথায় ঘড়ির কাঁটা ধোঁকা দিয়ে যায়|সরিৎ ঘরে ঢুকে পরের কয়েক মিনিটে বাজারটা তুলে ফেলে আর আধ বোতল জল গলায় ঢেলে ল্যাপটপটা নিয়ে বসে পড়ল | read more

আমার ছোটবেলা

13016769_1234155003278816_254681483_o

Pet মানে অন্যকিছু হলে চলবে না। হতে হবে বাঁদর ছানা।

বায়েনা খানিক এরকম-ই ছিল।

আমার ছোটবেলার ঘটনা। সব বাচ্চাদের মতন আমার এক দিন মনে হল আমার একটা pet  দরকার। যেমন ভাবা সেই রকম কাজ। এই সব, জীবনের গুরুতর জিনিস এক মাত্র বাবারসাথেই আলোচনা করা যায়। গম্ভীর মুখে বাবা কে গিয়ে বললাম ” আমার একটা pet  দরকার”। মা তো শুনেই প্রমাদ গুনল , আবার একটা ঝামেলা জোটাব আমি। বাবা আরও গম্ভীরমুখে বলল ” ঠিক আছে”  , কিন্তু কিনতে যাবার আগে ঠিক করতে হবে আমি কি চাই কিনতে । read more

ঘন্টা দুয়ের পালা

ও কলকাতা আয়োজিত গল্প প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের গল্পগুলো এক এক করে ছাপার পালা এবারে। দ্বিতীয় গল্পটি প্রকাশ হল, অনিরুদ্ধ সেনের 'ঘন্টা দুয়ের পালা' । বর্ষা-প্রেম-পাপ একে অপরকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে আছে। পড়ে জানাবেন কেমন লাগল কমেন্ট সেকশনে।

ফেরা

ও কলকাতা আয়োজিত গল্প প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের গল্পগুলো এক এক করে ছাপার পালা এবারে। প্রথমেই ছাপা হল সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়ের লেখা 'ফেরা'। বর্ষা-প্রেম-পাপ একে অপরকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে আছে। পড়ে জানাবেন কেমন লাগল কমেন্ট সেকশনে।

বাকিটা ব্যক্তিগত

রঙীন,

আজ তোমাকে স্বপ্নে দেখলাম। বহু-বহুদিন পর। আমি তোমাকে ভুলিনি যদিও। মাঝে মাঝেই, অফিসের কাজের ফাঁকে ফেসবুকে বন্ধুদের কমেন্টের ভিড়ে তোমার মুখটা উঁকি দিয়ে যায়। তুমি বোধহয় জোর করেই আমাকে ভুলে গেছ, একদিন দেখলাম ফেসবুক থেকে আমাকে বাদ দিয়ে দিয়েছ। কেন গো, কী করেছিলাম আমি? তোমাকে ভাল লাগে, সেটা বোকার মত প্রকাশ করে ফেলেছিলাম শুধু। আর তো কিছু করিনি। তাতেই কি তুমি…? read more

গল্প প্রতিযোগিতা ফলাফল

Galpo Protijogita Result - Small

অপেক্ষা শেষ, ও কলকাতা আয়োজিত প্রথম গল্প প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হল –

১। মৌমিতা বিশ্বাস – পরিচয় 

২। নীলাঞ্জন ব্যানার্জি – পৌরুষ

৩। অনিরুদ্ধ সেন – ঘণ্টা দুয়ের পালা

৪। সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় – ফেরা read more

ইয়া দেভি

এবারে সে হোটেল বা গেস্ট হাউসে থাকবে না। অনেকেই এখন পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে হোম স্টে করছে। তাই যাওয়ার সময়টা ঠিক হতেই শ্রী সেদিন কাউচ সার্ফিং করা শুরু করেছে। তখন নতুন একটা ছেলে এসে মিষ্টি করে বলল – ‘একা যাচ্ছেন নাকি?’ শ্রী এক ঝলক তাকিয়ে দেখল ছেলেটা বেশ হ্যান্ড-সাম। চেহারায় একটা ঝকঝকে ভাব আছে।

‘একা কোথায়?’, শ্রীও হেসে শেরিল স্ট্যায়েডের ‘ওয়াইল্ড’ বইটা এগিয়ে দিয়েছিল।

লম্পট ও লাস্যময়ী

[লেখার মাঝে অনেক ইংরেজি শব্দের ব্যবহার ইচ্ছাকৃত – শুধুমাত্র ঘটনা ও চরিত্রে প্রয়োজনে, এজন্য পাঠকদের কাছে আমি ক্ষমা-প্রার্থী]

কাচের দেওয়ালে হালকা টোকা, “আসব?”

“তুমিই পদ্মিনী? এস ভেতরে এস। তোমার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।” read more

অন্য ভ্রমণ, বন্য ভ্রমণ

প্রচণ্ড রেগে গিয়ে শান্তনু বলল “তোদের না খেতে হয় খাস না, আমি একাই খাব। আর যখন খাব কেউ চাইলে একটা টুকরোও পাবি না বলে দিলাম”। বলেই গট গট করে বেরিয়ে চলে গেল।

সারান্ডার জঙ্গলে। ছবি সৌজন্যেঃ লেখক
সারান্ডার জঙ্গলে। ছবি সৌজন্যেঃ লেখক

সবে কুমডি থেকে থলকোবাদ বনবাংলোতে এসে পৌঁছেছি। ঝাড়খণ্ডের সারান্ডা ফরেস্টের এইদিকটা এমনিতেই ঘন জঙ্গল। কুমডিতে তো দুদিন যা গেল তাতে এমনিতেই বেশ কাহিল হয়ে ছিলাম আমরা। কোনোদিন যে পাহাড়ী ঝরনা থেকে জল বয়ে এনে, নিজেরা কুড়ুল দিয়ে কাঠ কেটে, নিজেদেরই রান্না করে খেতে হবে সেটা আগে চারজনের কেউই ভাবিনি। তারপর রাত দুপুরে খিদে পেয়ে গেল..এদিকে রান্নাঘর বাংলো থেকে অনেক দূরে আর ড্রাইভার বলে গেছে রাতে বেরলেই  ‘ হাথি, ভালু ’ সবাই আমাদের আক্রমণ করবে বলেই বসে আছে …. সেই ভয়ে বাংলোর ফায়ার প্লেসেই ডিম সেদ্ধ বসিয়ে দেওয়া … খিদে তো মিটল … এদিকে বাংলোর বাইরে বেরিয়ে দেখি গোটা কুমডি আমাদের ফায়ার প্লেসের চিমনি দিয়ে বেরোনো ধোঁয়াতে সাদা হয়ে গেছে … মোদ্দা কথা হল এইসব কান্ডকারখানা ঘটিয়ে আমাদের মানসিক ক্লান্তি যথেষ্টই ছিল … তারপর আজ রাত্তিরে থলকোবাদ ওয়াচ টাওয়ারে সারা রাত কাটিয়ে প্রচুর জন্তু জানোয়ার দেখার অপেক্ষায় টানটান … চৌকিদার সারগেই বলেছে পকৌড়া ভেজে দেবে, কিন্তু টাওয়ার থেকে নামা চলবে না, কয়েক মাস আগে তিনটি ছেলে বারণ না শুনে রাতে নেমে পড়েছিল, তাদের একজনকে ভাল্লুক কামড়ে মাংস তুলে নেয় … আর সাথে কম্বল মাস্ট .. ওদিকে মহুয়ার গন্ধে ম ম করছে গোটা জঙ্গল .. সব মিলিয়ে হইহই ব্যাপার …… তার মধ্যে এই কাণ্ড…… read more