Author: অভ্র পাল

বদলা নয়, বদল চাই

সিনেমার নাম – বদলা , পরিচালক সুজয় ঘোষ। অভিনয়ে অমিতাভ বচ্চন, তাপসী পান্নু, অমৃতা সিং। খবর পেলাম যে বদলার বাজার…

পোস্টটি শেয়ার করুন

পয়লা আষাঢ়

বৃষ্টি আমার কৈশোর, কিন্তু বর্ষা আমার প্রেম। তাই বলে কৈশোরসুলভ অপাপবিদ্ধ প্রেম নয়; রীতিমত নিষিদ্ধ এবং দু:সাহসী। প্রথম যৌবনে কারও কোমরে হাত দেওয়ার মত, তাও আবার দক্ষিণ ভারতে, শিরুভানি জলপ্রপাতের সামনে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

বদলা নয়, বদল চাই

সারাদিন অফিস ঠেলে বাড়ি ফিরছি। সায়েন্স সিটির সামনে বিস্তর জ্যাম। বাতাসে একরাশ ধুলো, মাথার ওপর ফ্লাইওভার – বিরক্তি এড়াতে এফ…

পোস্টটি শেয়ার করুন

ঋতুদা, ঋতুদি এবং আমরা

গতকাল ৩০শে মে ছিল ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যুবার্ষিকী। তিন বছর হল তবু ভেতর ভেতর ভীষণ লজ্জা পাই এই ভেবে যে শ্রদ্ধা…

পোস্টটি শেয়ার করুন

আমিও কাপ্তান

ক্যাপ্টেন অ্যামেরিকা – সিভিল ওয়ার,

পোস্টটি শেয়ার করুন

কিভাবে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট করবেন না – ৬

আগের পর্ব   সাত দুকুনে চোদ্দর চার – হাতে রইল পেনসিল   প্রজেক্ট ম্যানেজ সিরিজ অনেকদিন বন্ধ ছিল। কেন বন্ধ…

পোস্টটি শেয়ার করুন

কিভাবে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট করবেন না – ৫

ওফ এরকম করেছিল বটে কৃষাণু। সেই ২০০৬ সালে। দিব্যি বন্ধুদের কথা শুনে বার খেয়ে, ডিকশনারি দেখে এক-পিস প্রেম পত্র সাজিয়েছিল কিন্তু সেই সঙ্গে নিজেকে সেফ-সাইডে রাখার জন্য দুই ম্যানেজারকে কপিতে রেখে মেলটা করেছিল। ফলটা হল উলটো। লেঙ্গি তো খেলোই, তার ওপর জাঁদরেল প্রজেক্ট ম্যানেজারের দাবড়ানিতে টানা দু বছর ধরে সব প্রজেক্ট / নন-প্রজেক্ট পার্টিতে নীলাঞ্জনা গাওয়া করিয়েছিল। একটা সময় কৃষাণুর মনে হত ডেকে সবার সামনে বলদ বলে কান ধরে উঠবস করালেও বোধহয় এতটা দুঃখ হত না। প্লাস ঐ চিঠিটা পড়েনি এমন কেউ পাবলিক শুধু ঐ প্রজেক্ট কেন, গোটা অপিসেও ছিল না।

পোস্টটি শেয়ার করুন

ইয়া দেভি

এবারে সে হোটেল বা গেস্ট হাউসে থাকবে না। অনেকেই এখন পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে হোম স্টে করছে। তাই যাওয়ার সময়টা ঠিক হতেই শ্রী সেদিন কাউচ সার্ফিং করা শুরু করেছে। তখন নতুন একটা ছেলে এসে মিষ্টি করে বলল – ‘একা যাচ্ছেন নাকি?’ শ্রী এক ঝলক তাকিয়ে দেখল ছেলেটা বেশ হ্যান্ড-সাম। চেহারায় একটা ঝকঝকে ভাব আছে।

‘একা কোথায়?’, শ্রীও হেসে শেরিল স্ট্যায়েডের ‘ওয়াইল্ড’ বইটা এগিয়ে দিয়েছিল।

পোস্টটি শেয়ার করুন

কিভাবে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট করবেন না – ৪

জলহস্তীর মত সুরেলা কণ্ঠে প্রথম প্রশ্ন করলেন, ‘বাড়ি কোথায়?’
বললুম। তাতে চোখটা ওপরে তুলে বললেন, ‘স্টেশন থেকে কতদূর বাড়ি?’
‘বেশিক্ষণ না – মিনিট পাঁচেক। গার্লস ইশকুলের কাছে।’
‘গার্লস ইশকুলে কাছে বাড়ি হয়ে কোন সুবিধে হয়েছে?’
ঘাড় নাড়লাম, ‘না, হয়নি।’ সেদিন তো সবে শুরু। পরে কথাবার্তা শুনে ভালো করে চেনার পর বুঝেছি, ওনার মুখ মানেই জাঙ্গিয়া। খুললেই – যাক সে কথা।

পোস্টটি শেয়ার করুন