Category: রম্যরচনা

কোলাজ কোলকাতা (১)

চালক:এই একজন হলেন অটোর দেশের বেতাজ বাদশা। এনার মুড ভালো থাকলে আপনাকে ১০০ টাকাও ভাঙ্গিয়ে দেবে আর খারাপ থাকলে ৮ টাকাও খুচরোতে চাইবে। অটোতে উঠেই নিজের ভাড়াটা খুচরোতে দিয়ে দিলে মনে হয় চালক ভাইয়ের থেকে আপন আর কেউ হয়না।

পোস্টটি শেয়ার করুন

প্লুটোর ইন্টারভিউ

প্লুটো: দেখছি তো বহুদিন ধরেই বাবা। ছোট তকমা সেঁটে দিতে পারলে তোমরা আর কিচ্ছু চাওনা। পাঁঠা বলি দেখলে নার্ভ ফেল হয়ে যায় ইদিকে অকারণে পিঁপড়ে মারো। কেন? কারন সে ছোট। পাঁঠা ডাকে, সে ডাকেনা।

পোস্টটি শেয়ার করুন

ফ্যাশন টিভি

সে এক উত্তাল সময়। আবিষ্কারের সময়। কৈশর পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের ওপর দাঁড়িয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে যৌবনকে ধরবার, কিন্তু সে তখনও বিভিন্ন…

পোস্টটি শেয়ার করুন

ফলসা, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, গৌরী সেন ইত্যাদি

মাঝেমধ্যে এদিক সেদিক , বাজারে বা রাস্তার মোড়ে, কদাচিৎ ফলসার সাথে দেখা হয়েছে। এক আধবার খুব অল্প, এক ঠোঙা হয়ত কিনেও খেয়েছি। বেশিরভাগ গ্রীষ্মেই আম বা তরমুজের মত ফলসা সেইভাবে দেখতে পাইনা।খুব কম দিনের জন্য চোখে পড়ে গড়িয়াহাট বাজারে বা নিউ মার্কেটের ফুটপাথে। কিন্তু বিক্রেতারা ভয়ানক রকম দাম চায়। একশো গ্রাম আধা শুকনো মরা মরা ফলসা একশো টাকা, দেড়শো টাকা ইত্যাদি শুনে শুনে ফলসা কেনার শখ মোটামুটি জীবন থেকে ঘুচে গেছে। পকেটে নাই ট্যাহা, কিন্তু শখ ষোলআনা।মগজের মধ্যে ঘুমিয়ে থাকা ছোটবেলার স্মৃতি মাঝে মাঝেই জেগে ওঠে। তাই ফলসা বিক্রি হচ্ছে দেখলেই দাম জিজ্ঞেস করি। তারপরেই অবধারিতভাবে ‘এ-ত দা-ম কে-এ-ন?’ জিজ্ঞেস করলেই বিক্রেতা আমার দিকে এমন করে তাকায় যেন আমার সাথে কথা বলেছে বলে এবার তাকে অবেলায় গঙ্গায় ডুব দিয়ে আসতে হবে !

পোস্টটি শেয়ার করুন

শীতবদল

‘সব ঋতুর সেরা বাঙালির তুমি শীতকাল’ – মান্না দে এমন একখানি গান বাঁধলে ফুটবলের মতই সেটি সমান আদর পেত। আরামপ্রিয়…

পোস্টটি শেয়ার করুন

আজও একটি ব্র্যান্ড

তিনি নদীই হোন বা দেবী  তিনি আমাদের কাছে পূজনীয়া সর্বশুভ্রা সরস্বতী । নদী বা দেবী কিম্বা  দুটোই ভেবে নিয়ে আমরা…

পোস্টটি শেয়ার করুন

কিভাবে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট করবেন না – ৬

আগের পর্ব   সাত দুকুনে চোদ্দর চার – হাতে রইল পেনসিল   প্রজেক্ট ম্যানেজ সিরিজ অনেকদিন বন্ধ ছিল। কেন বন্ধ…

পোস্টটি শেয়ার করুন

প্রবাসীর ডায়েরি ৪

আজ আমি অসম্ভব উত্তেজিত। এত এত কথা বলার আছে যে গুছিয়ে সাজিয়ে উঠতে পারছি না। কাকে আগে কাকে পরে রাখবো ভাবতে ভাবতে দিশেহারা অবস্থা।

আর বিলম্ব নয়। ‘জয় জয় নির্মলার জয়’ বলে শুরুই করে দি। নির্মলা আর আমার দুজনেরই অজান্তে ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে নির্মলা-কাব্য। আমাকে যে ও খেরোর খাতা হিসেবে দেখে তাতে আমার সন্দেহ নেই। কিন্তু, ও এখনো পর্যন্ত জানে না, যে কেউ আড়ালে আড়ালে ওর দৈনিক সংবাদ লিপিবদ্ধ করার ভার নিয়েছে, বিনা পারিশ্রমিকে। নির্মলার রোজ কাজে আসায় আমি অভ্যস্ত। কিন্তু ও কোন দিন কী প্রসঙ্গে কথা বলবে বা আদৌ বলবে কি না তার বোতাম আমাদের দুজনের কারুর হাতেই নেই। কোন বড় মাপের যন্ত্রীর তত্ত্বাবধানেই এই খেলা সম্ভব। তাই অকারণ জোর খাটানোর প্রশ্নই ওঠে না।

পোস্টটি শেয়ার করুন

কিভাবে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট করবেন না – ৫

ওফ এরকম করেছিল বটে কৃষাণু। সেই ২০০৬ সালে। দিব্যি বন্ধুদের কথা শুনে বার খেয়ে, ডিকশনারি দেখে এক-পিস প্রেম পত্র সাজিয়েছিল কিন্তু সেই সঙ্গে নিজেকে সেফ-সাইডে রাখার জন্য দুই ম্যানেজারকে কপিতে রেখে মেলটা করেছিল। ফলটা হল উলটো। লেঙ্গি তো খেলোই, তার ওপর জাঁদরেল প্রজেক্ট ম্যানেজারের দাবড়ানিতে টানা দু বছর ধরে সব প্রজেক্ট / নন-প্রজেক্ট পার্টিতে নীলাঞ্জনা গাওয়া করিয়েছিল। একটা সময় কৃষাণুর মনে হত ডেকে সবার সামনে বলদ বলে কান ধরে উঠবস করালেও বোধহয় এতটা দুঃখ হত না। প্লাস ঐ চিঠিটা পড়েনি এমন কেউ পাবলিক শুধু ঐ প্রজেক্ট কেন, গোটা অপিসেও ছিল না।

পোস্টটি শেয়ার করুন